চরম অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার মধ্যেই যুক্তরাজ্যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেছেন লিজ ট্রাস। এরই মধ্যে ট্যাক্স ইস্যুতে অর্থমন্ত্রী কাওয়াসি কোয়ারতেংকে বরাখাস্ত করেছেন তিনি। তবে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দোলে লিজ ট্রাসকেও শিগগির ক্ষমতা ছাড়াতে হতে পারে। কারণ চলতি সপ্তাহেই কনজার্ভেটিভ দলের বিদ্রোহী সদস্যরা তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা শুরু করবে।এদিকে পার্লামেন্টারি পার্টির একটি বড় অংশ জয়ের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী রাতে কেন্দ্রীয় কনজার্ভেটিভদের ১০০ শক্তিশালী ওয়ান নেশন গ্রুপের সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানা গেছে।
বিদ্রোহী এমপিরা গ্রাহাম ব্র্যাডিকে প্রধানমন্ত্রী ট্রাসকে তার সময় শেষ বলার বা তার নেতৃত্বে অবিলম্বে আস্থা ভোটের অনুমতি দেওয়ার জন্য দলীয় নিয়ম পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে চাপ দিচ্ছেন। তাছাড়া তিনজন এমপি নিয়ম ভেঙে প্রকাশ্যে লিজ ট্রাসকে পদত্যাগ করতে বলেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ১০০ জনেরও বেশি পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) লিজ ট্রাসের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে চিঠি জমা দিতে প্রস্তুত। এই চিঠি তারা কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব প্রতিযোগিতার আয়োজনকারী কমিটির প্রধান গ্রাহাম ব্র্যাডির কাছে জমা দেবেন।
বরখাস্ত হওয়ার তিন সপ্তাহ আগে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে সংক্ষিপ্ত বাজেট ঘোষণা করেন কাওয়াসি কোয়ারতেং। ওই বাজেটে কর ছাড়ের ছড়াছড়ি থাকায় বেশ বিতর্কের জন্ম দেয়। পুঁজিবাজারেও অস্থিরতা শুরু হয়। এক পর্যায়ে মার্কিন ডলারের বিপরীতে যুক্তরাজ্যের মুদ্রা পাউন্ড মূল্যমান হারিয়ে কয়েক দশকের সর্বনিম্ন অবস্থানে চলে যায়। যদিও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের হস্তক্ষেপ, সংক্ষিপ্ত বাজেট বাতিলের গুঞ্জন ও অর্থমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, এমন খবরে বাজারের কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।
