Homeজেলা সংবাদ'জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধকল্পে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সাথে...

‘জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধকল্পে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সাথে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্য কক্সবাজার জেলায় সভা অনুষ্ঠিত।’

সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ইপসা (ইয়ং পাওয়ার ইন সোস্যাল একশন) এর আয়োজনে কক্সবাজার জেলায় ‘জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ (সিভিক)’ প্রকল্পের আয়োজনে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সাথে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২১ জুন ২০২৩ ইং কক্সবাজারস্থ অরুনোদয় স্কুল-এর হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: নাসিম আহমেদ, উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), স্থানীয় সরকার, কক্সবাজার এবং অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলার কক্সবাজার সদর, মহেশখালী, রামু ও চকরিয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যান বৃন্দ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইপসা’র পরিচালক ও সিভিক প্রকল্পের ফোকাল পার্সন জনাব মো: শাহাজান। সিভিক প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রম উপস্থাপন করেন উক্ত প্রকল্পের টিম লিডার জনাব খালেদা বেগম। এছাড়াও প্রকল্পের পদ্ধতি, প্রকল্পের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য, কার্যক্রম এবং স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মো: নাসিম আহমেদ বলেন, “বিভিন্ন সময় ধর্মীয় বিষয় গুলো নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে অতিরঞ্জিত বক্তব্য দিয়ে ফেলে। যার ফলে অন্য ধর্মীয় বিশ্বাসীদের অনুভূতিতে আঘাত করে।” এছাড়া উনি আরও বলেন, “আমাদের সমাজকে সুন্দর করতে জনপ্রতিনিধিরা হচ্ছে আমাদের আইডল। আপনাদের কথা এলাকার জনগন শুনে। তাদের কাছে উগ্রবাদের কুফল তুলে ধরতে হবে।” উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আব্দুর রহমান, চেয়ারম্যান, খুটাখালি ইউনিয়ন, বিপুল বড়ুয়া, প্যানেল চেয়ারম্যান, ফতেকারকুল ইউনিয়ন, কামাল উদ্দিন, চেয়ারম্যান, ভারুয়াখালি ইউনিয়ন, নুর ছিদ্দিকি, চেয়ারম্যান, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন, শাকিলা সুলতানা, মহিলা মেম্বার, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, সাইফুর উদ্দিন মোহাম্মদ খালেদ, সচিব, রশিদনগর ইউনিয়নসহ অন্যান্য চেয়ারম্যান বৃন্দ। উন্মক্ত আলোচনায় অংশকারী চেয়ারম্যান বৃন্দগন বলেন, “উগ্রবাদ আসে তরুণদের মাঝ থেকে। তাই তরুণদের মাঝে এই ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তরুণদের জন্য খেলার ব্যবস্থা করতে হবে, পাঠাগার তৈরি করতে হবে, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে উদ্ভুদ্ধ করতে হবে। পাশাপাশি লজিস্টিক সাপোর্ট এর ব্যবস্থা করতে হবে।” অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভিক প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ হারুন। ইপসার সিভিক প্রকল্পের উপজেলা ম্যানেজারদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আরোও উপস্থিত ছিলেন, প্রজেক্ট ম্যানেজার নাজমুল বরাত রনি, মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশন অফিসার বন রত্ন তঞ্চঙ্গ্যা, সিভিক প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা অফিসার মো: নিজামুল হক চৌধুরী, এবং ইপসা’র প্রোগ্রাম ম্যানাজার জনাব জিশু বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments