Homeআন্তর্জাতিকইরান আক্রমণের সুযোগ খুঁজছে ইসরায়েল

ইরান আক্রমণের সুযোগ খুঁজছে ইসরায়েল

ইসরায়েল ইরান আক্রমণের সুযোগ খুঁজছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলের এমন কোনো পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।তুরস্কের সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, তিনি আশা করেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ভিন্ন পথ বেছে নেবে। তবে বাস্তবতা হলো, বিশেষ করে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—উভয়ের ক্ষেত্রেই এই মূল্যায়ন প্রযোজ্য কি না জানতে চাইলে ফিদান বলেন, ইসরায়েলই মূলত এমন সুযোগ খুঁজছে।তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, সম্প্রতি ইরান সফরের সময় তিনি তেহরানে ইরানি কর্মকর্তাদের কাছে নিজের উদ্বেগের কথা সরাসরি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, বন্ধু হিসেবে তিনি পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে ইরানকে অবহিত করেছেন। বন্ধুই কঠিন সত্য কথা বলে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ফোনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেন এবং প্রতিবেশী দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি তুরস্কের গুরুত্বের কথা জানান।এদিকে, শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেন, শত্রুপক্ষের যেকোনো হামলাকে তেহরান সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কথার লড়াইয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য করেন তিনি।এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানকে লক্ষ্য করে উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌবাহিনীর একটি ‘বহর’ পাঠানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহে তেহরানের বিরুদ্ধে আগের কঠোর অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসার ইঙ্গিত দিলেও আবারও কড়া ভাষায় বক্তব্য দেন তিনি।

ইরানি ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব ও জলসীমা লঙ্ঘন করে, তাহলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, এই সামরিক উপস্থিতি প্রকৃত সংঘাতের উদ্দেশ্যে না হলেও ইরানের সেনাবাহিনী সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী ও এর সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলো দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে মোড় নিয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছাতে পারে।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধের সময় এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগেও বড় ধরনের নৌবহর মোতায়েন করেছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments