এস এম আলম, ১ মার্চ: পাবনার ঈশ্বরদীর চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনিকে হত্যার ঘটনায় শরিফুল ইসলাম নামের এক যুবক কে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। শরিফুল ইসলামের তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দুপুরে ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রাম থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। রবিবার দুপুরে পাবনার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সন্মেলনে পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ জানান, নিহত দাদি সুফিয়া বেগম সম্পর্কে গ্রেপ্তারকৃত শরিফুল ইসলাম (৩০) এর আপন খালা। খালা সুফিয়া বেগমের বাড়িতে প্রায় যাতায়াতের সুবাদে সুফিয়া বেগমের যুবতি নাতনি জামিলা ওরফে সেতুর উপর নজর কু-নজর পরে শরিফুলের। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) রাত ১১ টার দিকে শরিফুল সুফিয়া বেগমের বাড়িতে গেলে শরিফুলকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলায় শরিফুল ক্ষিপ্ত হয়ে কাঠের বাটাম দিয়ে দাদি সুফিয়া বেগম কে আঘাত করে। এতে সে মাটিতে পরে যায়। এ সুযোগে ঘরের ভেতর ঢুকে নাতনি জামিলা ওরফে সেতুকে ধর্ষনের চেষ্ঠা করে। এতে সেতু চিৎকার করলে বাঁশের খাঁটি ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে জামিলা ওরফে সেতুকে জ্ঞান হাড়িয়ে ফেলে। পরে তাকে টেনে হেচরে পার্শ^বর্ত গম ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষন শেষে হাতুড়ি দিয়ে মাখায় আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। শরিফুল ইসলাম কে ঘটনার দিনেই সন্দেহ ভাজন হিসেবে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দুপুরে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয় এবং সে হত্যার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে। শরিফুল ইসলাম ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মফেজ্জল হোসেনের ছেলে। এর আগে ‘নিহত বৃদ্ধা দাদী সুফিয়া বেগমের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঈশ্বরদী থানা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। শরিফুল ইসলাম স্বিকার করায় তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

