ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বিধিনিষেধ শিথিল করায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সব ধরনের গণপরিবহন চলবে। তাই বাস চালানোর জন্য সায়েদবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চলছে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের প্রস্তুতি।বুধবার সায়েদাবাদ এলাকা ঘুরে এ প্রস্তুতির দৃশ্য দেখা গেছে।গণপরিবহন চলাচল, দোকান-শপিংমল খুলে দেয়াসহ কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়ে চলমান বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। আজ দিবাগত মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
একইসঙ্গে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত ফের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই বুধবার দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।বৃহস্পতিবার সকালেই সায়েদাবাদ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় গাড়ি চলাচল শুরু হবে। এজন্য পরিবহন শ্রমিকরা গাড়ি মেরামত করছেন। অনেক দিন না চলায় গাড়ি চলাচলে সক্ষম কি-না, তা পরীক্ষা করে করছেন তারা। সমস্যা থাকলে সরিয়ে নিচ্ছেন। পরিস্কার করছেন ধুলোবালি।ঢাকা-সিলেট রুটের সাকিন পরিবহনের গাড়ি ধুচ্ছিলেন নূর আলম ও মো. লিটন। লিটন বলেন, ‘কাইল থেকে গাড়ি চলব। তাই পরিস্কার করতাছি। অনেক দিন গাড়ি না চলায় ধুলাবালি জইম্যা গেছে।’
ঢাকা সিলেট রুটে চলাচল করা বিএম পরিবহনের দুটি গাড়ির মালিক মো. মোবারক হোসেন। পাশে বসে গড়ির মেরামত করা তদারক করছিলেন। তিনি বলেন, ‘অনেক দিন গাড়ি বহা, গাড়ির মবিল-মুবিল, পার্সপোর্স (যন্ত্রপাতি) পাল্টানো লাগতাছে। কিছু জিনিস আছে গাড়ি না চললে বসে যায়, নষ্ট হয়ে যায়। এগুলো পাল্টাতে হয়। সেই কামই করাইতাছি। কালকে থেকে তো গাড়ি চলব।’সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডের মধ্যে গাড়ির ইঞ্জিন মেরামত করছিলেন কৃষ্ণ চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, ‘অনেকদিন গাড়ি বসে থাকলে নানা রকম সমস্যা দেয়া দেয়। স্টার্ট নিতে চায় না। ব্রেকে সমস্যা হয়। সেগুলো মেরামত করছি।’
