Homeজাতীয়টিকিটের জন্য রাতভর লাইনে নারীরাও

টিকিটের জন্য রাতভর লাইনে নারীরাও

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয় শনিবার। প্রথম দিন টিকিট না পেয়ে অনেকেই লাইন থেকে না সরে পরের দিনের অপেক্ষায় ছিলেন। অনেকে আবার দ্বিতীয় দিনের টিকিট পেতে রাতেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন। লাইনে থাকা এসব টিকিটপ্রত্যাশীদের মধ্যে নারীরাও ছিলেন।রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে অগ্রিম টিকিট কাটতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন স্মৃতি আক্তার। তিনি বলেন, রাত ১০টায় এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। সারা রাত লাইনেই ছিলাম। সেহরিও এখানেই করেছি।

রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় ছোট বোন জান্নাতুল জুঁইকে নিয়ে থাকেন স্মৃতি আক্তার। ঈদের ছুটিতে বোনকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম যাবেন তিনি। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে এখন ক্লান্ত তিনি।টিকিটের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে স্মৃতি বলেন, এখানে সবাই লাইন মানছে না। পুলিশও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। সব মিলিয়ে খুবই বাজে একটা অবস্থা এখানে।তিনি অভিযোগ করে বলেন, টিকিট দিতেও দেরি করছে কাউন্টারগুলো। তিন ঘণ্টায়ও লাইন বেশিদূর এগোয়নি।

টিকিটপ্রত্যাশী আয়েশা সিদ্দিকা এশা বলেন, গতকাল রাত ১১টায় মহাখালী থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। এখন সকাল সাড়ে ১০টা বাজে। এখনো বেশ কয়েকজন সামনে আছে। রংপুরে যাবো ঈদ করতে। কিন্তু টিকিট কাটতে এসেই এতো ভোগান্তিতে পড়েছি। সেহরি এখানেই করতে হয়েছে।টিকিট দিতেও অনেক দেরি করছে কাউন্টারে, অভিযোগ জানালেন এশা।

একই অভিযোগ জানিয়ে লাইনে থাকা আরেক নারী বলেন, স্বামীকে নিয়ে গতকাল রাতে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। নারীদের লাইনও এতো দীর্ঘ হবে জানতাম না।এদিকে, টিকিট পেতে দেরি হওয়ার বিষয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার বলেন, এবারই প্রথম জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে টিকিট দেওয়া হচ্ছে। তাই টিকিট দিতে কিছুটা ধীরগতি হচ্ছে। তারপরেও আমরা চেষ্টা করছি যাত্রীরা যেন টিকিটগুলো পান।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments