Homeজাতীয়সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি

সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি

সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। অন্যদিকে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র শনিবার দুপুরে নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাস প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।সিলেট অঞ্চলে চারটি নদীর পানি সাতটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, সুরমা-কুশিয়ারা ছাড়া দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে এবং কিছু স্থানে সময় বিশেষে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট জেলার কিছু স্থানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। অন্যদিকে সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চলের কিছু স্থানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।’বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি বাড়ছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। অন্যদিকে পদ্মা নদীর পানিও বাড়ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।আবহাওয়া সংস্থাগুলোর গাণিতিক মডেলভিত্তিক পূর্বাভাস তুলে ধরে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং তৎসংলগ্ন ভারতের আসাম, মেঘালয়, হিমালয় পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা প্রদেশের কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।’

দেশের উত্তরাঞ্চলের ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া।সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট (সিলেট), সিলেট, সুনামগঞ্জ; কুশিয়ারার পানি অমলশীদ (সিলেট) ও শেওলা (সিলেট); পুরোনো সুরমার পানি দিরাই (সুনামগঞ্জ) এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি কমলাকান্দায় (নেত্রকোনা) বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাপাউবো।

দেশের মধ্যে ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে গত ১৪ মে থেকে সিলেটে বন্যা শুরু হয়। এরপর তা ক্রমে অবনতির দিকে যেতে থাকে। সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বন্যা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়ে লাখ লাখ মানুষ। তবে ইতোমধ্যে সিলেটে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments