Homeজাতীয়শব্দদূষণের বিরূপ প্রভাব ও প্রতিকার: বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ

শব্দদূষণের বিরূপ প্রভাব ও প্রতিকার: বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ

দেশের শীর্ষ স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কম-এ ‘শব্দদূষণের বিরূপ প্রভাব ও প্রতিকার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাগো নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কে এম জিয়াউল হক। বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন জাগো নিউজের ডেপুটি এডিটর ড. হারুন রশীদ। গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা শব্দদূষণের বিভিন্ন দিক ও প্রতিকার নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করেন।

বৈঠকে আলোচনা করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ট্রাফিক) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মুনিবুর রহমান, বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস)-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনের প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)-এর চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, মনোবিজ্ঞানী নুজহাত ই রহমান, বিআরটিএ-এর সহকারী পরিচালক মো. শহীদুল আজম ও বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

এসময় শব্দদূষণ রোধে বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরেন বক্তারা। সেগুলো হলো:

>>ট্রাফিক সম্পর্কে ছোটবেলা থেকে শিক্ষা দিতে হবে। বয়স বেশি হলে ট্রাফিক সম্পর্কে শিক্ষা কিংবা সচেতন করতে গেলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। গণপরিবহন যারা চালান তাদের বেশিরভাগ শিক্ষিত নয়, তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে গাড়ির হর্ন সম্পর্কে সচেতন করা যেতে পারে।

>>যানজটের কারণে অনেকেই অতিরিক্ত হর্ন বাজায়। যানজট কমালে শব্দদূষণের মাত্রা কমবে।

>>কেবল আইন দিয়ে শব্দদূষণ কমানো যাবে না। সচেতনতা ও শব্দদূষণের কুফল সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে হবে।

>>শব্দদূষণের সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত; তাই শব্দদূষণ কমাতে নগর পরিকল্পনায় ইকো সিস্টেম চালু করতে হবে।

>>যখন একজন চালককে লাইসেন্স দেওয়া হয় তখনই শব্দদূষণের বিরুদ্ধে তাকে শিক্ষা প্রদান করলে তিনি শব্দদূষণের বিষয়ে সচেতন হবেন।

>>যানজটে থাকা মানুষদের মধ্যে হিংস্র মনোভাব দেখা যায়। দীর্ঘক্ষণ ডিউটিতে থাকা ট্রাফিক সদস্যদেরও খিটখিটে মেজাজ দেখা যায়। রাইড শেয়ারিংয়ের চালকদেরও প্রতিটি মিনিট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে তারা বারবার হর্ন দিতেই থাকেন। উচ্চশিক্ষিতরাও হর্ন বাজায় যানজটে। এ কারণে তাদের প্রশিক্ষিত করা প্রয়োজন।

>>রামপুরা-বাড্ডার মতো রাজধানীর অন্য ব্যস্ত এলাকায় ইউলুপ তৈরি করতে হবে।

>>শব্দদূষণের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সামাজিক সংগঠনগুলোর উচিত বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments