এস এম আলম, ৩০ সেপ্টেম্বর : জাতির পিতার একজন প্রিয় মানুষ ছিলেন রণেশ মৈত্র। সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে তাঁর ছিল সাবলীল পদচারণা। তার মৃত্যু শুধু পাবনার নয়, দেশের জন্য অপূরণীয় এক ক্ষতি। মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও কলামিস্ট, সাংবাদিকদের নিকট অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব রণেশ মৈত্রের মৃত্যুতে দেশ একজন জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিত্বকে হারাল। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি ¯পীকার মোঃ শামসুল হক টুকু এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্তরে রণেশ মৈত্রের মরদেহে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। রণেশ মৈত্রের মরদেহে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি, জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল হোসেন, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী,অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরীর সভাপতি ও পাবনা প্রেসক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি ও প্রথম আজীবন সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টুর পক্ষে লাইব্রেরীর নেতৃবৃন্দ,পাবনা প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ,পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, বাংলা টিভির জেলা প্রতিনিধি এস এম আলম সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ ও নেতৃবৃন্দ। এ সময় রণেশ মৈত্রের ২ ছেলে ও ২ মেয়ে সহ নাতি-নাতনীগণ উপস্থিত ছিলেন। ডেপুটি স্পিকার বলেন, রণেশ মৈত্রের সাথে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে, এক সাথে রাজনীতি করেছি, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। রাজনীতি করতে গিয়ে একসাথে কারাবরণও করেছি। অনেক ত্যাগী একজন মানুষ ছিলেন তিনি। দেশের সংকটের মুহুর্তগুলোতে লেখনীর মাধ্যমে জোরালো ভুমিকা রেখেছেন তিনি। দেশকে অনেক কিছু দিয়ে গিয়েছেন তিনি। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি। তাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্তরে গার্ড অব অনার প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনা, সদর থানার অফিসার ইন চার্জ আমিনুল ইসলাম । এ সময় সর্বস্তরের মানুষ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।










