Homeআন্তর্জাতিককলকাতায় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বাঙালি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কলকাতায় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বাঙালি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটা শক্তি আছে, তবুও আমার মনে হয় শেখ হাসিনার বিকল্প বাংলাদেশে কেউ নেই। একজন ভারতীয় বাঙালি হিসেবে আমি চাই শেখ হাসিনা আবার ক্ষমতায় ফিরে আসুক। তিনি থাকলে দুই দেশের সম্পর্ক ঠিক থাকবে, বাঙালির বাঙালিত্ব ঠিক থাকবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়নটা অব্যাহত থাকবে। কলকাতায় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বাঙালি সম্মেলনে শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার এ কথা বলেন।পবিত্র সরকার বলেন, স্বাধীনতার যুদ্ধ থেকে ভারত বাংলাদেশকে বন্ধুত্বপূর্ণ সাহায্য করেছে। সেই সাহায্য প্রতি মুহূর্তে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তারা স্বীকার করে।

ফলে বাংলাদেশের পাশে সব সময় ভারতের দাঁড়ানো উচিত ও দাঁড়াচ্ছেও। আমি মনে করি এটি ভারতের একটা নৈতিক দায়িত্ব। বিশেষ করে আমেরিকা যখন চোখ রাঙ্গায় তখন দক্ষিণ এশিয়ার জাতিগুলোর এক হওয়া দরকার।কলকাতা দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বাঙালি সম্মেলনের শেষ দিন ছিল রোববার ।এদিন মোট পাঁচটি মঞ্চে এক সঙ্গে চলে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-শিল্প বিষয়ের একাধিক মত বিনিময় ও গোলটেবিল বেঠক।এছাড়াও দুই বাংলার নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও চলে বাংলাদেশের বিভিন্ন সিনেমার প্রদর্শনী।এবারের সম্মেলনে ১৮ টি দেশের ১৭০ জন প্রবাসী বাঙালি এই সম্মেলনে প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

আন্তর্জাতিক বাঙালি সম্মেলনে আইনিবিষয়ক অধিবেশনে দুই বাংলার বিচারপতির চিত্ততোষ মুখার্জি, বিচারপতি ওবেদুল হাসান, বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি সোমেন সেন অংশগ্রহণ করেন।শিল্প ও বাণিজ্য অধিবেশনে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে এবাদুল করিম জানান, আমার কাছে মনে হয়েছে এরকম সম্মেলনের আরও প্রয়োজন ছিল, এইরকম সম্মেলন আরও অনেক হওয়া উচিত।আমাদের দুই দেশের মধ্যে একটা বড় মিলিত সাহায্যর ফলে যে একটা বড় সম্ভাবনা তৈরি হবে সেটা আমরা গত দুইদিনে আন্দাজ করতে পেরেছি। আমি কলকাতায় এসেছি অনেক আগে প্রায় ৯০ সালে।কিন্তু এর মধ্যে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন আমি দেখছি বিশেষ করে এখানকার রাস্তা-ঘাট অনেক ভালো, এয়ারপোর্ট অনেক ভালো। সব কিছু মিলিয়ে চমৎকার পরিবর্তন চোখে পড়ছে।শিক্ষা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায়, কামরুল হাসান খান, শারমিন সাদিয়া ও শিবাজী বসু।

আন্তর্জাতিক বাঙালি সম্মেলনে আইনিবিষয়ক অধিবেশনে দুই বাংলার বিচারপতির চিত্ততোষ মুখার্জি, বিচারপতি ওবেদুল হাসান, বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি সোমেন সেন অংশগ্রহণ করেন।শিল্প ও বাণিজ্য অধিবেশনে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে এবাদুল করিম জানান, আমার কাছে মনে হয়েছে এরকম সম্মেলনের আরও প্রয়োজন ছিল, এইরকম সম্মেলন আরও অনেক হওয়া উচিত।আমাদের দুই দেশের মধ্যে একটা বড় মিলিত সাহায্যর ফলে যে একটা বড় সম্ভাবনা তৈরি হবে সেটা আমরা গত দুইদিনে আন্দাজ করতে পেরেছি। আমি কলকাতায় এসেছি অনেক আগে প্রায় ৯০ সালে।কিন্তু এর মধ্যে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন আমি দেখছি বিশেষ করে এখানকার রাস্তা-ঘাট অনেক ভালো, এয়ারপোর্ট অনেক ভালো। সব কিছু মিলিয়ে চমৎকার পরিবর্তন চোখে পড়ছে।শিক্ষা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায়, কামরুল হাসান খান, শারমিন সাদিয়া ও শিবাজী বসু।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments