Homeফিচার সংবাদইরানে ৩য় প্রজন্মের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র-সামরিক রোবট উন্মোচন

ইরানে ৩য় প্রজন্মের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র-সামরিক রোবট উন্মোচন

এবার তৃতীয় প্রজন্মের নৌ স্ট্রাইক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সামরিক রোবট উন্মোচন করেছে ইরান। ক্ষেপণাস্ত্রের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির শীর্ষ কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ইরান কখনো শক্তি অর্জনের প্রচেষ্টা থামাবে না।

নতুন এ ক্ষেপণাস্ত্রের নাম রাখা হয়েছে জুলফিকার-ই বাসির। এর পাল্লা ৭শ কিলোমিটার। এর আগে ইরান খালিজ-ই ফার্স ও হরমুজ নামে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা ভ্রাম্যমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রে এমন ওয়ারহেড ব্যবহার করা হবে যা ‘অপটিক্যাল সিকার হেড’ দ্বারা গাইডেড। জুলফিকার-ই বাসির ক্ষেপণাস্ত্রের ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপের ভার্সন রয়েছে এবং এর পাল্লা ৭শ থেকে ৭৫০ কিলোমিটার।

ইরান এর আগে দেশের বাইরের লক্ষ্যবস্তুতে নিজস্ব প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। সিরিয়ায় তৎপর উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছিল।

এছাড়া ইরানের ইসলামি বিপ্লবি গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যনান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর ইরাকের আইন আল-আসাদ মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় মার্কিন ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

অপরদিকে নিজস্ব প্রযুক্তিতে ইরানের তৈরি আরও নতুন সামরিক অর্জনের মধ্যে একটি সামরিক রোবটযান রয়েছে যা সেমি থেকে ভারী অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বহন করতে সক্ষম। ইরানের সামরিক বাহিনীর স্থল শাখা এসব সাফল্য উন্মোচন করেছে।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ইরানের পদাতিক বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিউমার্স হায়দারী এবং আর্মি এভিয়েশনের সেকেন্ড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইউসুফ কোরবানি উপস্থিত ছিলেন।

ইরানের এক প্রকার বন্যবিড়ালের নামে এ রোবটের নামকরণ করা হয়েছে কারকাল। এ রোবটযান ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে এবং এ থেকে যে গোলাবর্ষণ করা হবে তা ৫শ মিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

কারাকাল রোবটযানকে স্বাধীন সাসপেনশন সিস্টেম, স্মার্ট রিমোট কন্ট্রোল মেকানিজম, লেসার রেঞ্জফাইন্ডার এবং একটি অপটিক্যাল সিস্টেম দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চার হাদাফ বা লক্ষ্য-২, ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন গোহার ফোরডাব্লিউডি গাড়ি এবং অত্যন্ত গতিসম্পন্ন ফ্রিকোয়েন্সি সিস্টেমসহ নতুন নতুন অস্ত্র ও সরঞ্জামও প্রদর্শন করা হয়।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments