এস এম আলম, ১০ জুন: গত ৮ জুন সন্ধ্যা আনুমানিক ০৬:৪৫ ঘটিকায় পাবনা সদর থানাধীন লস্করপুর এলাকার মাসুম বাজার সংলগ্ন জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসার মূল প্রবেশপথের সামনে পাকা রাস্তার উপর কতিপয় দুর্বৃত্তের গুলিতে হোসেন আলী নিহত হন। ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সহ পুলিশ সুপার মো: ছুফি উল্লাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তাঁর নির্দেশে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তকরণে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়। জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম কাজ শুরু করে দেয়। ইতোমধ্যে জেলা পুলিশের নিবিড় তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দিগ্ধ ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অভিযান চলমান রয়েছে। ঘটনা সংক্রান্তে পাবনা সদর থানায় মামলা নম্বর ২৩ তারিখ ০৯.০৬.২০২৬ ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়েছে। ঘটনায় সন্দিগ্ধ ব্যক্তি যাদের আটক করা হয়েছে তারা হলো: মোঃ মতিয়ার রহমান (৪০), পিতা মোঃ আকমন খাঁ, গ্রাম-ধর্মগ্রাম, মোঃ শরীফ প্রামানিক (৩৫) পিতা মৃত আমিন প্রামানিক, গ্রাম- পুষ্প পাড়া, উভয় থানা আতাইকুলা, মোঃ মনিরুল ইসলাম (২৮), পিতা মোঃ সোহরাব মোল্লা, গ্রাম- জাফরাবাদ, সদর থানা, সর্ব জেলা-পাবনা। উদ্ধারকৃত আলামত: হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, একটি অবিস্ফোরিত কার্টুজ (বুলেট), একটি গুলির খোসা। প্রায় এক মাস পূর্ব থেকেই হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা করা হয়। প্রাথমিকভাবে হত্যা কান্ডের কারণ সম্পর্কে জানা যায় যে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট এবং লাল পতাকা এই দুইটি বাহিনীর আধিপত্যকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। হত্যাকান্ডে অন্য কোন কারণ বা কারো যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যাকান্ডের শিকার আলী হোসেন ঠাকুর পূর্ববাংলা কমিউনিস্টের একজন সক্রিয় নেতা দিল বলে তথ্যপত্র পাওয়া যাচ্ছে। প্রধান আসামি যিনি সুট করেছে তাকে সনাক্ত করা হয়েছে। যেহেতু মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে সেহেতু তদন্তের স্বার্থে এই বিষয়টি এখনই প্রকাশ করা হয়নি, তবে শীঘ্রই তাকে গ্রেপ্তার করার প্রত্যাশা করা হয়।
পাবনায় হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তকরণে জেলা পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম
RELATED ARTICLES
