লিওনেল মেসি টানা দ্বিতীয় বছরের মতো এমএলএস অল-স্টার ম্যাচে খেলছেন না। তবে গত বছরের মতো এবার তাকে কোনো শাস্তির মুখোমুখি পড়তে হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন ভক্ত-সমর্থকরা।যদিও শেষ পর্যন্ত জানা গেছে, শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে না মেসিকে। কারণ, ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে পর্যাপ্ত বিশ্রামের জন্য এমএলএস ও খেলোয়াড়দের সংগঠনের বিশেষ চুক্তির আওতায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড় দেওয়া হয়েছে।গত শনিবার এমএলএস অল-স্টার স্কোয়াডে চারটি পরিবর্তনের ঘোষণা দেয় লিগ। মেসির পাশাপাশি আর্জেন্টিনা সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল, মন্টেরেতে যোগ দেওয়া হুগো কুইপার্স এবং এমবেকেজেলি এমবোকাজিও দল থেকে বাদ পড়েন। তাদের পরিবর্তে ইয়ানিক ব্রাইট, আন্দ্রেস কুবাস, গিলিয়ের্মে এবং ফিলিপ জিঙ্কারনাগেলকে দলে নেওয়া হয়েছে।
এবারের অল-স্টার ম্যাচে এমএলএসের মুখ্য আকর্ষণ হবেন সন হিউং-মিন, থমাস মুলার, ম্যাট ফ্রিজ, টিম রিম, পেতার মুসা, জুলিয়ান হল ও হ্যাভিয়ের গোজো। তবে লিগের সবচেয়ে বড় তারকা মেসিকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে এমএলএসকে।গত বছর অল-স্টার ম্যাচে না খেলায় বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন মেসি। এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, বৈধ কারণ বা চোট ছাড়া অল-স্টার ম্যাচ এড়িয়ে গেলে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেতে হয়। সেই নিয়মেই ২০২৫ সালে মেসি ও জর্দি আলবাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ইন্টার মিয়ামির মালিক হোর্হে মাস সেই সিদ্ধান্তকে ‘অত্যন্ত কঠোর’ বলে সমালোচনা করেছিলেন।
তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছেন মেসি ও ডি পল। দীর্ঘ মৌসুম এবং বিশ্বকাপ শেষে তাদের বিশ্রামের সুযোগ দিতে এমএলএস ও এমএলএস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে আগে থেকেই একটি সমঝোতা ছিল।এমএলএস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশ্বকাপ শেষে প্রতিটি ক্লাব নিজ নিজ খেলোয়াড়ের সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্রাম এবং মাঠে ফেরার সময়সূচি নির্ধারণ করবে। সেই চুক্তির আওতায় লিওনেল মেসি ও রদ্রিগো ডি পলকে ২০২৬ এমএলএস অল-স্টার ম্যাচে অংশগ্রহণ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।বিশ্বকাপের পর থেকেই মেসি এখনো ইন্টার মিয়ামির হয়ে মাঠে ফেরেননি। তিনি শিকাগো ফায়ারের বিপক্ষে জয় এবং মন্ট্রিয়লের বিপক্ষের ম্যাচ- দুটিই মিস করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ণ বিশ্রাম শেষে তিনি আবারও ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলায় ফিরবেন।
