Homeঅর্থনীতিদুগ্ধ খামারিদের সহায়তায় প্রাণ ডেইরি ও রাকাবের চুক্তি

দুগ্ধ খামারিদের সহায়তায় প্রাণ ডেইরি ও রাকাবের চুক্তি

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ দুগ্ধ খামারিদের সহায়তার লক্ষ্যে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) ও প্রাণ ডেইরির মধ্যে সাপ্লাই চেইন ফ্যাইন্যান্স সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়েছে।এ চুক্তির ফলে খামারিরা দুধ সরবরাহের সঙ্গে সঙ্গে দুধের মূল্য ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন। এছাড়া খামারিরা চাইলে ব্যাংক থেকে সহজে প্রয়োজনীয় ঋণ সহায়তা পাওয়ার মাধ্যমে বড় খামার গড়ে তুলতে পারবেন। এতে খামারিদের আর্থিক স্বচ্ছলতার পাশাপাশি দেশে দুধের উৎপাদন বাড়বে।

রাজধানীর বাড্ডায় প্রাণ গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাকাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।এসময় রাকাব চেয়ারম্যান রইছউল আলম মন্ডল ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী আহসান খান চৌধুরীসহ উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাকাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, দেশের দুগ্ধ খাত এগিয়ে নিতে এ পদক্ষেপ খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। চুক্তির ফলে দুগ্ধ খামারি ও দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পাবে।এ বিষয়ে উজমা চৌধুরী বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশের পথে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। খামারিরা দুধ সরবরাহের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে দুধের মূল্য পাবেন। এছাড়া তারা দুধের ভরা মৌসুমে বেশি পরিমাণ দুধ সরবরাহ করতে পারবেন। এতে রাকাবের পক্ষ থেকে অর্থায়নে সহায়তা করা হবে। প্রাণ ভরা মৌসুমে অধিক পরিমাণ প্রাপ্ত দুধ প্রক্রিয়াজাত করে গুঁড়ো দুধে রূপান্তর করতে পারবে, যা শুষ্ক মৌসুমে দুধের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, প্রাণ ডেইরি প্রান্তিক দুগ্ধ চাষিদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য যেমন- পাস্তুরিত দুধ, গুঁড়ো দুধ, ঘি, স্বাদযুক্ত দুধ, দই, মিষ্টি, মাঠা, চিজসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণন করে আসছে। দুধের এ বহুমুখী ব্যবহারের ফলে প্রাণ ডেইরি একদিকে দেশের পুষ্টির চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখছে, অন্যদিকে প্রান্তিক দুগ্ধ চাষিদের ন্যায্যমূল্য পেতে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করছে।এ ধরনের চুক্তির ফলে দেশের অভ্যন্তরে দুধের অধিক উৎপাদন ও সঠিক প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বছরজুড়ে দুধের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলেও জানান উজমা চৌধুরী।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments