Homeআন্তর্জাতিকসৌদি আরব ও ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা

সৌদি আরব ও ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা

একদিকে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অন্যদিকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা। নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের এ অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে।সৌদি আরব ও ইয়েমেনের এডেন শহরের বিভিন্ন নিশানায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানপন্থি হুথি বিদ্রোহীরা। গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) ইয়েমেনের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।মন্ত্রণালয়ের দাবি, চলতি মাসে বিমানবন্দরটিতে এটি চতুর্থ হামলা। এ ধরনের হামলায় বেসামরিক বিমান চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। এতে বিমানবন্দর ব্যবহারকারী যাত্রীদের যাতায়াতেও বিঘ্ন ঘটতে পারে।ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলায় দেশটির কোস্টগার্ডের সদর দপ্তর ও আরেকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে, হুথিরা এডেনের আল নাসর সামরিক শিবির ও নৌঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে।এদিকে, ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর দাবি, গত শুক্রবার হুথিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র সানার একটি বাড়িতে আঘাত হানলে তিনজন নিহত হন। সম্প্রতি হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

অন্যদিকে, হুথি পরিচালিত আল মাসিরা টেলিভিশনের দাবি, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় সানা ও হোদেইদা বন্দরে কয়েকজন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে এ দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।একই দিনে সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, হুথিদের ছোড়া মক্কা ও মদিনাগামী দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।তবে, হুথিরা এ দুই শহরকে নিশানা করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, সৌদি আরবের তিনটি বিমানবন্দর, তেল অবকাঠামো ও একটি বিমানঘাঁটি ছিল তাদের নিশানায়।

উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইউই হুথিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এসব কর্মকাণ্ড বেসামরিক মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রকাশ। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও বিমানবন্দর নিশানা করে হুথিদের হামলা চলছে।

সুত্র: আল জাজিরা

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments