কখনো কানাডা, কখনো গ্রিনল্যান্ড, আবার কখনো পানামা খাল নিয়ে উচ্চাভিলাষী মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার তার নজর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায়।দেশটির তেল নিয়ে চুক্তির প্রশংসা করতে গিয়ে ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার সম্ভাবনার কথা বলেছেন তিনি।বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মঙ্গলবার টেক্সাসের করপাস ক্রিস্টিতে নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে চুক্তির প্রশংসা করেন।এসময় তিনি উপকূলে থাকা একটি তেলবাহী জাহাজ দেখিয়ে দাবি করেন, সেটিতে ভেনেজুয়েলা থেকে আনা ১০ লাখ ব্যারেল তেল রয়েছে।কখনো কানাডা, কখনো গ্রিনল্যান্ড, আবার কখনো পানামা খাল নিয়ে উচ্চাভিলাষী মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার তার নজর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায়।

দেশটির তেল নিয়ে চুক্তির প্রশংসা করতে গিয়ে ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার সম্ভাবনার কথা বলেছেন তিনি।বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মঙ্গলবার টেক্সাসের করপাস ক্রিস্টিতে নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে চুক্তির প্রশংসা করেন।এসময় তিনি উপকূলে থাকা একটি তেলবাহী জাহাজ দেখিয়ে দাবি করেন, সেটিতে ভেনেজুয়েলা থেকে আনা ১০ লাখ ব্যারেল তেল রয়েছে।সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। এমনকি, হয়তো শিগগিরই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হয়ে যেতে পারে। এই সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।একই সঙ্গে, ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে চুক্তিকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেলবিজয়’ বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। এই তেল যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহের জন্য মার্কিন করদাতাদের কোনো অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। এরপর দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে তেল নিয়ে চুক্তি করে ওয়াশিংটন।তবে, এই চুক্তি নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ট্রাম্প প্রশাসন যথেষ্ট আগ্রহ দেখাচ্ছে না বলে অভিযোগ সমালোচকদের।
ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ট্রাম্পের এমন বক্তব্য অবশ্য নতুন নয়। এর আগে, কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি, ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেন।অঞ্চলটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছিলেন ট্রাম্প। এছাড়া, পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ফিরিয়ে নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। তার এসব বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন সংশ্লিষ্ট দেশ ও অঞ্চলের নেতারা।
এদিকে, আগামী তিন নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে রাজনৈতিক চাপে রয়েছেন ট্রাম্প।এমন পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে চুক্তিকে নিজের সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছেন তিনি। এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম দ্রুত কমে আসবে বলে দাবি করেন তিনি।
সুত্র: দ্য গার্ডিয়ান


