Homeখেলাধুলাচেলসিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুল

চেলসিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুল

কারাবাও কাপের শেষ ষোলোতে চেলসিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে লিভারপুল। নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে সমতা থাকার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৬-৫ ব্যবধানে জয় পায় অলরেডরা। লিভারপুলের সাবেক মিডফিল্ডার ও বর্তমান কোচ জাবি আলোনসোর অ্যানফিল্ডে এটি তৃতীয় হার।ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে লিভারপুলের হয়ে শেষ পেনাল্টি থেকে গোল করেন জো গোমেজ। ক্লাবটির হয়ে ২৮০ ম্যাচ খেলেও এর আগে গোল করতে পারেননি এই ডিফেন্ডার। অন্যদিকে চেলসির হয়ে ওয়েসলি ফোফানা পেনাল্টি থেকে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠালে জয় নিশ্চিত হয় লিভারপুলের।চার বছর আগে ওয়েম্বলিতে কারাবাও কাপের ফাইনালে দুই দল পেনাল্টি শুটআউটে মুখোমুখি হয়েছিল। সেবার ১১-১০ ব্যবধানে জিতেছিল লিভারপুল। এবার সেই ম্যাচের মতো নাটকীয়তা না থাকলেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের খেলায় খুব বেশি মানের ছাপ ছিল না। বিরতির আগে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি পেনাল্টি থেকে আসে গোল।মইসেস কাইসেদোকে পেছন থেকে ফাউল করেন লিভারপুলের রায়ান গ্রাভেনবার্খ। কাইসেদো তখন গোলমুখ থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলেন। ফলে বল জেতার সম্ভাবনা না থাকলেও ফাউলটি করে বসেন গ্রাভেনবার্খ। পেনাল্টি থেকে গোল করে চেলসিকে এগিয়ে দেন মর্গান রজার্স। ইংল্যান্ডের এই মিডফিল্ডারের জন্য রাতটি অবশ্য খুব একটা ভালো ছিল না।

এরপর সমতায় ফেরে লিভারপুল। কর্নার থেকে তৈরি হওয়া গোলমুখের জটলার মধ্যে অপ্রয়োজনীয়ভাবে হাত উঁচিয়ে দেন ফোফানা। তাতে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকেরা। স্পটকিক থেকে গোল করে ব্যবধান ১-১ করেন কোডি গাকপো।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোলের ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন রজার্স। সতীর্থকে পাস দেওয়ার কথা ভাবতে গিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বল চলে যায় লিভারপুল গোলরক্ষক জর্জি মামারদাশভিলির হাতে।অন্যদিকে রোনাল্ড আরাউহোর উড়ে আসা হেড ঠেকিয়ে দেন চেলসির গোলরক্ষক মাইক পেন্ডার্স। পরে ফ্লোরিয়ান ভির্ৎজের সতীর্থ ব্র্যাডলি বারকোলার নিচু শটও পোস্টের বাইরে ঠেলে দেন তিনি।এক ঘণ্টার আগে মাঠে নামেন ভির্টজ ও বারকোলা। বারকোলা আক্রমণে কিছুটা গতি আনলেও বদলি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে প্রত্যাশিত প্রভাব পায়নি লিভারপুল। শেষ ১০ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও আলেক্সান্ডার ইসাককে নামিয়েও নির্ধারিত সময়ে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি স্বাগতিকেরা। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে চেলসিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুল
টাইব্রেকারে চেলসিকে হারিয়ে কারাবাও কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলো লিভারপুল

কারাবাও কাপের শেষ ষোলোতে চেলসিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে লিভারপুল। নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে সমতা থাকার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৬-৫ ব্যবধানে জয় পায় অলরেডরা। লিভারপুলের সাবেক মিডফিল্ডার ও বর্তমান কোচ জাবি আলোনসোর অ্যানফিল্ডে এটি তৃতীয় হার।

ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে লিভারপুলের হয়ে শেষ পেনাল্টি থেকে গোল করেন জো গোমেজ। ক্লাবটির হয়ে ২৮০ ম্যাচ খেলেও এর আগে গোল করতে পারেননি এই ডিফেন্ডার। অন্যদিকে চেলসির হয়ে ওয়েসলি ফোফানা পেনাল্টি থেকে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠালে জয় নিশ্চিত হয় লিভারপুলের।

চার বছর আগে ওয়েম্বলিতে কারাবাও কাপের ফাইনালে দুই দল পেনাল্টি শুটআউটে মুখোমুখি হয়েছিল। সেবার ১১-১০ ব্যবধানে জিতেছিল লিভারপুল। এবার সেই ম্যাচের মতো নাটকীয়তা না থাকলেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের খেলায় খুব বেশি মানের ছাপ ছিল না। বিরতির আগে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি পেনাল্টি থেকে আসে গোল।

মইসেস কাইসেদোকে পেছন থেকে ফাউল করেন লিভারপুলের রায়ান গ্রাভেনবার্খ। কাইসেদো তখন গোলমুখ থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলেন। ফলে বল জেতার সম্ভাবনা না থাকলেও ফাউলটি করে বসেন গ্রাভেনবার্খ। পেনাল্টি থেকে গোল করে চেলসিকে এগিয়ে দেন মর্গান রজার্স। ইংল্যান্ডের এই মিডফিল্ডারের জন্য রাতটি অবশ্য খুব একটা ভালো ছিল না।

এরপর সমতায় ফেরে লিভারপুল। কর্নার থেকে তৈরি হওয়া গোলমুখের জটলার মধ্যে অপ্রয়োজনীয়ভাবে হাত উঁচিয়ে দেন ফোফানা। তাতে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকেরা। স্পটকিক থেকে গোল করে ব্যবধান ১-১ করেন কোডি গাকপো।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোলের ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন রজার্স। সতীর্থকে পাস দেওয়ার কথা ভাবতে গিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ হারান তিনি। শেষ পর্যন্ত বল চলে যায় লিভারপুল গোলরক্ষক জর্জি মামারদাশভিলির হাতে।অন্যদিকে রোনাল্ড আরাউহোর উড়ে আসা হেড ঠেকিয়ে দেন চেলসির গোলরক্ষক মাইক পেন্ডার্স। পরে ফ্লোরিয়ান ভির্ৎজের সতীর্থ ব্র্যাডলি বারকোলার নিচু শটও পোস্টের বাইরে ঠেলে দেন তিনি।

এক ঘণ্টার আগে মাঠে নামেন ভির্টজ ও বারকোলা। বারকোলা আক্রমণে কিছুটা গতি আনলেও বদলি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে প্রত্যাশিত প্রভাব পায়নি লিভারপুল। শেষ ১০ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও আলেক্সান্ডার ইসাককে নামিয়েও নির্ধারিত সময়ে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি স্বাগতিকেরা। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।টাইব্রেকারে দুই দলের খেলোয়াড়েরাই শুরুতে সফল ছিলেন। লিভারপুলের হয়ে ম্যাক অ্যালিস্টার, ইসাক, গাকপো, ভির্ৎজ, বারকোলা ও গোমেজ গোল করেন। চেলসির হয়ে লক্ষ্যভেদ করেন পেদ্রো নেতো, রজার্স, রোমিও লাভিয়া, জর্ডান হেন্ডারসন ও লেভি কলউইল।ভ্যালেন্তিন বারকো পোস্টে বল মারার পর লিভারপুলের পঞ্চম পেনাল্টি থেকে ম্যাচ শেষ করার সুযোগ পেয়েছিলেন কস্তাস সিমিকাস। কিন্তু তার শট গ্যালারির দিকে চলে যায়। পরে চেলসির এমানুয়েল এমেগার শট ঠেকিয়ে দেন মামারদাশভিলি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জয়ের পথে এগিয়ে যায় লিভারপুল। শেষ পর্যন্ত ফোফানার পেনাল্টি বাইরে গেলে নিশ্চিত হয় অলরেডদের কোয়ার্টার ফাইনাল।

ম্যাচের দুই অর্ধেই নজর কেড়েছেন কিশোর রিও এনগুমোহা। দুই বছর আগে চেলসি ছেড়ে লিভারপুলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর দলবদল ঘিরে দুই ক্লাবের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। ম্যাচে একাধিকবার গতিময় দৌড়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করেন নগুমহা। তাকে ফাউল করার কারণে ৫০ মিনিটে চেলসির জশ আচেমপং হলুদ কার্ড দেখেন।গ্রাভেনবার্খের ফাউল এবং সাবেক লিভারপুল অধিনায়ক হেন্ডারসনের আচরণেও ম্যাচে উত্তেজনা বাড়ে। লিভারপুল সমর্থকদের দুয়োর মধ্যে বল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা হেন্ডারসন শেষ পর্যন্ত রজার্সের হাতে বল তুলে দেন। সেখান থেকেই পেনাল্টিতে গোল করে চেলসিকে এগিয়ে দেন রজার্স।

দুই দলই ম্যাচের আগে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়েছিল। লিভারপুল সাতটি পরিবর্তন আনে। বিশ্রামে ছিলেন আলেক্সান্ডার ইসাক, ফ্লোরিয়ান ভির্টজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের মতো খেলোয়াড়েরা। অন্যদিকে চেলসি একাদশে পরিবর্তন আনে চারটি। তবে শেষ পর্যন্ত বদলি খেলোয়াড়দের প্রভাব নয়, বরং টাইব্রেকারে স্নায়ু ধরে রাখার ক্ষমতাই নির্ধারণ করে দেয় ম্যাচের ফল।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments