Homeজাতীয়ফগলাইটে গাড়ি চলাচল

ফগলাইটে গাড়ি চলাচল

জাঁকিয়ে শীত পড়তে শুরু না করলেও ঘন কুয়াশা কিন্তু চাদর ফেলতে শুরু করেছে ঠিকই। সোমবার ভোরে কুয়াশার কারণে রাজধানীর রাস্তায় গাড়ি চলেছে ফগলাইট (ঘন কুয়াশায় পথ চলতে সহায়ক বাতি) জ্বালিয়ে। অথচ সপ্তাহ দুয়েক আগেও ভোর না হতেই সূর্যের ঝলমলে কিরণে আলোকিত হতো রাস্তা।

দু’দিন ধরে কোথাও কোথাও মাঝরাত থেকে সকাল ৮টা-৯টা পর্যন্ত ঢেকে ছিল ঘন কুয়াশায়। কর্মব্যস্ত নগরীর চাঞ্চল্য শুরু হয়ে গেলেও সূর্যের দেখা মিলছিল না সকালে। হালকা শীত ও কুয়াশার কারণে রাস্তাঘাটে মানুষজনের আনোগোনাও ছিল অপেক্ষাকৃত কম।

এদিন ভোরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চালকরা ফগলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন। ভোর ৭টায় সচিবালয়ের সামনে দেখা হয় প্রাইভেট কার চালক আব্দুস সালামের সঙ্গে।

তিনি জানান, তার নিয়োগকর্তার রূপগঞ্জে পোশাক কারখানা রয়েছে। প্রায়দিনই খুব ভোরে উঠে তাকে কারখানায় দিয়ে আসতে হয়। গত দু’দিন ধরে কুয়াশার কারণে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে যাওয়ার পথে প্রায় পুরোটাই ফগলাইট জ্বালিয়ে রাখতে হয়। কারণ কাকডাকা ভোরে কয়েক ফুট দূরেও ঠিকমতো কিছু দেখা যায় না। দুর্ঘটনা এড়াতেই ফগলাইটের সহায়তা নিতে হয়।

ভোরবেলা কারওয়ানবাজার থেকে শীতের সবজি কিনে ভ্যানগাড়িতে করে হাজারীবাগে নিয়ে যাচ্ছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আলতাব মিয়া। প্রতিদিন ফজরের নামাজ পড়েই তিনি চলে যান কারওয়ানবাজারে।তিনি বলেন, ‘সকালবেলা বেশ শীত পড়ে। এ সময় রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় গাড়িগুলো দ্রুত চলে। কুয়াশার কারণেও সামান্য দূরের যানবাহন কিংবা পথচারীদের স্পষ্ট দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশংকা থাকে।’

আবহাওয়া অধিদফতর সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকতে পারে। উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার গতিতে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।সোমবার সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ১১ মিনিট এবং মঙ্গলবার সূর্যোদয় সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments