করোনাভাইরাসের লকডাউনের পর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাঠে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজেরব বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর আবার রয়েছে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুই ম্যাচের সিরিজও।
সে লক্ষ্যে এরই মধ্যে বাংলাদেশে চলে এসেছে ক্যারিবীয় ক্রিকেট দল। এখন তারা রয়েছে তিনদিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে। যা শেষ করে বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) থেকে শুরু হবে তাদের মাঠের অনুশীলন। পরে ১৮ তারিখ নিজেদের মধ্যে একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে ক্যারিবীয়রা।
আগামী ১৪ তারিখ (বৃহস্পতিবার) বিকেএসপিতে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ বাংলাদেশেরও। অনির্বাযভাবেই সেখানে থাকবে জাতীয় দলের নির্বাচকদের উপস্থিতি। যারা থাকবেন টিম ম্যানেজম্যান্টের আশপাশে। ফলে সঙ্গত কারণেই তাদেরকে প্রবেশ করতে হবে হোটেল সোনারগাঁয়ে জাতীয় দলের জন্য করা বায়ো সিকিউর বাবলে (জৈব সুরক্ষা বলয়)।
আজ (মঙ্গলবার) সকালে জাগো নিউজকে এ কথা জানিয়েছেন দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। তবে একসঙ্গে দুই নির্বাচকই (মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও হাবিবুল বাশার সুমন) বায়ো বাবলে প্রবেশ করবেন না। ওয়ানডে সিরিজের জন্য একজন ও টেস্ট সিরিজের জন্য একজন নির্বাচক থাকবেন বায়ো বাবলের মধ্যে।
তবে তারা কবে বাবলের মধ্যে ঢুকবেন এবং কে কোন সিরিজে থাকবেন, তা নিশ্চিত করে জানাননি প্রধান নির্বাচক। কেননা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে এইচপি স্কোয়াড। এছাড়া মার্চের নিউজিল্যান্ড সফরের পর সম্ভাবনা রয়েছে জাতীয় লিগ আয়োজনের। সে টুর্নামেন্টের দল নির্বাচনের কাজটিও এগিয়ে রাখতে হচ্ছে নির্বাচকদের।
ফলে আজ যে তারা বায়ো বাবলে ঢুকতে পারবেন না তা একপ্রকার নিশ্চিত। ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার রাতের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন অনুসরণ করে বাবলের মধ্যে ঢুকবেন দুই নির্বাচকের যেকোনো একজন। পরে অন্যজন দলের সঙ্গে থাকবেন টেস্ট সিরিজের সময়।এদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, বাংলাদেশ দলের করোনা প্রটোকল তদারকির। অর্থাৎ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে ক্যারিবীয়দের দেয়া করোনা প্রটোকল যদি স্বাগতিক শিবিরের কেউ ভঙ্গ করে, তাহলে তিনি পুরো দল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) নিয়ে দেশে ফিরে যাওয়ার ক্ষমতা বহন করবেন।
