শনিবার বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে- চলতি অর্থবছরের (২০২০-২১) বাজেটে শিক্ষিত বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেই। আর তাই এই বাজেট জনবান্ধব নয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, শিক্ষিত বেকারদের শিক্ষাসনদের ঋণ প্রকল্প বাজেটে বরাদ্দ থাকলে দেশের মানবপাচার বন্ধ হবে। থাইল্যান্ডের জঙ্গলে ও ভূমধ্যসাগরে আর কোনো বাঙালি মারা যাবে না। দেশের প্রতিটি বেকার যুবক কর্মসংস্থান পাবে, উৎপাদন বেড়ে যাবে, খাদ্য পূর্ণতা পাবে। সেই সঙ্গে দেশের ৮০ শতাংশ মামলার জট দূর করার জন্য ভূমি সংস্কারের জন্য বরাদ্দ প্রয়োজন এবং ভূমির ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে উৎপাদন চারগুণ বেড়ে যাবে।
তারা বলেন, নদীভাঙন রোধ ও নদীশাসনের জন্য বাজেট বরাদ্দ থাকলে মাছ উৎপাদন বেড়ে যাবে। বেকারদের কর্মসংস্থান হবে এবং প্রতিবছর যে একলক্ষ লোক ঘরবাড়ি-ভূমিহারা হয় তা আর হবে না দারিদ্র্র্য বাড়বে না। দেশের প্রতি পরিবার যাতে ব্যাংকঋণের সুযোগ নিতে পারে তাদের জন্য প্রতিটি বিভাগে স্বতন্ত্র ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রতিটি নাগরিক যাতে সহজে বিচার পেতে পারে তার জন্য প্রতি বিভাগে হাইকোর্ট স্থাপন করতে হবে।
বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিলের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জনতা ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আবু আহাদ, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, বাংলাদেশ ন্যাপের সহ-সভাপতি স্বপন কুমার সাহা, গণতান্ত্রিক ঐক্যের সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ প্রমুখ।
