সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ড সম্ভব ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত অ্যাগনেস ক্যালামার্ড। শনিবার তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদুলু এজেন্সিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিচারবহির্ভূত হত্যা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ক্যালামার্ড বলেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না থাকলেও তিনি যুবরাজকেই প্রধান সন্দেহভাজন মনে করছেন।
২০১৮ সালের অক্টোবরে ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি। বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হলে তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে রিয়াদ কর্তৃপক্ষ। তবে তার মৃতদেহের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

প্রথমে রিয়াদের পক্ষ থেকে খাশোগিকে হত্যার কথা অস্বীকার করা হলেও তুরস্কের সংবাদমাধ্যমগুলো সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রমাণ হাজির করতে থাকে। মার্কিন তদন্ত সংস্থা সিআইএ ও পশ্চিমা দেশগুলোও বলে আসছে, এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা সৌদি যুবরাজ।
সেই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ দূত ক্যালামার্ড জানান, এই হত্যাকাণ্ডের আদেশ দেয়া, কিংবা এতে প্ররোচনার ক্ষেত্রে প্রধান সন্দেহভাজন সৌদি যুবরাজ। তিনি আরো জানান, তিনি যে এই আদেশ দিয়েছেন তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ তার কাছে নেই। তবে পরিস্থিতিগত প্রমাণ থেকে বোঝা যায়, যুবরাজ সালমানের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে না।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এই ঘটনায় পাঁচ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার কথা ঘোষণা করলেও তাদের নাম প্রকাশ করেনি সৌদি আরব।
