এস এম আলম, ২১ জুন : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও পাবনা প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভুট্টা আন্দোলন ও ভাষা আন্দোলনের গৌরবের অংশ পাবনা প্রেসক্লাব। দেশের মধ্যে এটি একটি মর্যাদাবান প্রতিষ্ঠান। ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পাবনা প্রেসক্লাবের গৌরবের ৬০ বছর পূর্তি উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমি ৬০ বছর উদযাপনে যা যা সহযোগিতা প্রয়োজন সব করার চেষ্টা করবো।
রোববার রাতে ঐতিহ্যবাহী পাবনা প্রেসক্লাবের ষাট বছর পূর্তি উপলক্ষে অন্তকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে পাবনা প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এ কথা বলেন। পাবনা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পাবনা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক কলামিস্ট রনেশ মৈত্র, পাবনার পুলিশ সুপার মোঃ মহিবুল ইসলাম খান, পাবনা ডায়বেটিক সমিতির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা লায়ন বেবী ইসলাম, প্রবীণ ক্রীড়া সংগঠক ও সমাজসেবক মুক্তার হোসেন, পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক সৈকত আফরোজ আসাদ, প্রেসক্লাবের কল্যান সম্পাদক সরোয়ার উল্লাস। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পাবনা প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক কলিট তালুকদার। এ সময় অন্যান্যেদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি, সাবেক সভাপতি রুমী খন্দকার, প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক শুশিল তরফদার, সাবেক সম্পাদক আহমেদ উল হক রানা, সদস্য কাজী বাবলা, রাজিউর রহমান রুমি, অনলাইন পত্রিকা ’নতুন চোখ’- এর প্রকাশক ও ’বাংলা টিভি’-র জেলা প্রতিনিধি এস এম আলম, আব্দুল হামিদ খান, আয়ুব আলী, পাবনা সদর থানার নবাগত ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।

দেশব্যপী করোনা মহামারির কারনে সীমিত পরিসরে এবারের এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনে বিভিন্ন খেলায় সর্বমোট ২১ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠার ৬ দশক পূর্তির আনুষ্ঠানিক ভাবে এই অন্তঃকক্ষ প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে যাত্রা শুরু করলো পাবনা প্রেসক্লাব।১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী পাবনা প্রেসক্লাব ৬০ বছরে পদার্পণ করেছে। আগামী দিনে বৃহৎ কর্মসূচি পালন করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান সদস্যরা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সকল সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ইতিহাস আর ঐতিহ্য মন্ডিত এই প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠান হবে দেখার মত। সারা বাংলাদেশের সাংবাদিক মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক কলামিস্ট বুদ্ধিজীবী সুশীল সমাজের প্রতিনিধি সকলকে সাথে নিয়ে আয়োজন করা হবে। এই ক্লাবের কল্যান ফান্ডের মাধ্যমে সকল সদস্যদের কল্যানে ব্যয় করা হবে। কল্যান তহবিলকে আরো সমৃদ্ধ করার জন্য সকলে আলোচনা করে সঠিকভাবে সেটি কাজে লাগাতে হবে। ক্রীড়া একটি মানুষকে মন এবং শারীরিক প্রশান্তি দিতে পারে। সারাদিন সংবাদ পরিবেশনের পরে একটু মনের আনন্দের প্রয়োজন রয়েছে। শুধু দিবস আর অনুষ্ঠান কেন্দ্রিক খেলাধুলা না করে সকল সময় এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা দরকার। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নানা প্রতিকুলতার মধ্যে নিজেদের সংবাদ পরিবেশে কখনো আপোস করেনি। তাই সকল কিছুর মধ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আগামী দিনের সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।
