Homeজাতীয়বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ৩১৭টি প্রকল্পের মাত্র ১৮০টির কাজ সমাপ্ত

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ৩১৭টি প্রকল্পের মাত্র ১৮০টির কাজ সমাপ্ত

২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত ছিল ৩১৭টি প্রকল্প। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সিদ্ধান্ত ছিল, ২০১৯-২০ অর্থবছরের মধ্যে এসব প্রকল্প সমাপ্ত করতে হবে। তবে করোনার কারণে ৩১৭টি প্রকল্পের মধ্যে মাত্র ১৮০টির কাজ সমাপ্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১৩৭টি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব না হওয়ায় ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে শুধু এক বছরের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব প্রকল্প বিশেষ বিবেচনায় বর্ধিত মেয়াদে যাতে সমাপ্ত করা সম্ভব হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগকে অনুরোধ করা হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত আরএডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং চলতি অর্থবছরের এডিপির সুষ্ঠু ও গুণগতমান সম্পন্ন বাস্তবায়নের বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যপত্র সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সভাটি বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়

বিগত কয়েক অর্থবছরের এডিপি/আরএডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনায় লক্ষ্য করা যায়, মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বৈদেশিক উৎস খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করতে না পারায় সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক উৎস খাতের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করা হয়। যেমন, গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বৈদেশিক উৎস খাতে একইভাবে মোট ১১ হাজার ২৪৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা (১৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ) হ্রাস করা হয়েছে। এডিপির সামগ্রিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বৈদেশিক উৎস ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ।

কাজেই ২০২০-২১ অর্থবছরে বৈদেশিক উৎস খাতে নির্ধারিত বরাদ্দের বাস্তবায়ন হার শতভাগ অর্জনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পের মনিটরিং জোরদারসহ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সমীচীন হবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়। এ সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও ৩০টি মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অংশগ্রহণ করেন।

২০২০ সালের জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ৯টি মন্ত্রণালয়ের মোট ১৮টি প্রকল্পের সংশোধন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। সংশোধিত অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫১ হাজার ১১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা, যা উক্ত প্রকল্পগুলোর সর্বশেষ অনুমোদিত ব্যয়ের চেয়ে ১৩ হাজার ১৪৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বেশি (গড় বৃদ্ধির হার ৩৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ)। তবে কোনো কোনো প্রকল্পের ক্ষেত্রে তা অনুমোদিত সর্বশেষ ব্যয়ের চেয়ে ৫০, ৯৯ কিংবা ১০০ শতাংশের বেশি ব্যয় বৃদ্ধি করে সংশোধন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে গৃহীত কার্যক্রম অনুমোদিত মেয়াদে সম্পন্ন করে নতুন কার্যক্রম নিয়ে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা অধিকতর যুক্তিযুক্ত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সভায়।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments