এস এম আলম, ৩০ মে : বৈধ কাগজপত্র না থাকায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ পাবনা জেলায় ১৬ টি ক্লিনিক ও হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে। সিভিল সার্জন ড. মনিসর চৌধুরী পাবনা জেলায় অভিযান চালিয়ে এসকল ক্লিনিক ও হাসপাতাল বন্ধ করে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডাঃ জাহিদ হাসান মেডিকেল এমওসিএস, অনলাইন নতুন চোখ পত্রিকার প্রকাশক ও বাংলা টিভির জেলা প্রতিনিধি এস এম আলম। দুপুরে সাঁথিয়া উপজেলায় ২ টি নিবন্ধনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও বেসরকারি ক্লিনিক গুলো সিলগালা করেন সাঁথিয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম জামাল আহমেদ ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস বৈশাখী, মেডিক্যাল অফিসার সাঁথিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সজিব সরকার সহ সাংবাদিক,সাঁথিয়া থানা পুলিশ ও আতাইকুলা থানা পুলিশ এর সদস্যবৃন্দ। এছাড়া শালগারিয়ার মায়ের আচল ক্লিনিক, পাবনা সদরের গ্লোরিয়াস ডায়াগনস্টিক সেন্টার, তিতুলতলা ফরিদপুরের কনফিডেন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টার, গোপালনগর ফরিদপুরের লাইফ কেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চাটমোহরের জনতা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, দি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার , শহীদ মিথুন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্রাইম ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেড়ার শাপলা ফার্মেসীর ভিতরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেড়ার সরকার ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে সাইন বোর্ড, বিল্লাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার , এম কে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মধুপুর জেনারেল হাসপাতাল, নদী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সাথিয়ার নিউ যমুনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার , আতাইকুলার মোহনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তন্মধ্যে এম কে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সততা মেডিকেল সেন্টার, শেফা কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ,গ্লোরিয়াস ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোকে ৫০০০ হাজার টাকা ও পাবনা সদরের আল সাফি জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২০০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।



