ক্রয়ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সচেতনতা ও নিরাপদ খাদ্যের অভাবে পুষ্টিহীনতায় ভুগছেন বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৮৭ শতাংশের মানুষ।শুক্রবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কৃষকের বাজার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বক্তারা।তারা বলেন, আমারা যা খাচ্ছি তা নিরাপদ কি না সে চিন্তায় জর্জরিত নগরবাসী। খাদ্য উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে ব্যবহৃত কেমিক্যাল, খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ঢাকা ফুড সিস্টেম প্রকল্পের সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার স্পেশালিস্ট জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বিশ্বব্যাপী ক্ষুধামুক্তি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কাজ করেছে। ঢাকা ফুড সিস্টেম প্রকল্পের আওতায় ১৬টি কৃষকের বাজার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণের দিকে অনেকটাই পিছিয়ে। স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ না করায় দেশে স্থূলকায় মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। ফলশ্রুতিতে হৃদরোগ, স্ট্রোক, টাইপ-টু ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
