এস এম আলম, ২১ এপ্রিল: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় হামের প্রাদুর্ভাব দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্যে ৬ মাস বয়স হতে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে ১ ডোজ হাম রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাবনা জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ৪ টি উপজেলা ও ৩ টি পৌরসভায় গত ৫ এপ্রিল শুরু হয়েছিলো। অবশিষ্ট উপজেলা ও পৌরসভায় হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমও ২০ এপ্রিল শুরু হয়েছে। আজ সিভিল সার্জন অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, পাবনার মোট ৩,১৮,৮৮৪ জন শিশুকে হাম-রুবেলা রোগ হতে সুরক্ষা প্রদানের জন্য ১ ডোজ টিকা প্রদান করার লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করা হয়েছে। ১ম পর্যায়ে গত ৫ এপ্রিল হতে ঝুঁকিপূর্ণ ৪ উপজেলা (আটঘরিয়া, বেড়া, ঈশ্বরদী ও পাবনা সদর) ও ৩ পৌরসভা (বেড়া পৌরসভা, ঈশ্বরদী পৌরসভা ও পাবনা পৌরসভা)-তে মোট ৮০৮ টি ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পৌরসভার স্থায়ী কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে। গত ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া উপজেলা ও পৌরসভা সমূহ হলোঃ ভাক্সগুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর, সাঁথিয়া, সুজানগর উপজেলা ও সুজানগর পৌরসভা। এই সকল স্থানে মোট ১০৫০ টি ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে আগামী ১০ মে পর্যন্ত হামের টিকা প্রদান করা হবে। এছাড়াও উক্ত ৫ টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সুজানগর পৌরসভার স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে শুক্রবার ও সরকারী ছুটির দিন ব্যাতিত প্রতিদিন টিকা কার্যক্রম চলমান থাকবে। তিনি আরও জানান, শিশু পূর্বে হামের টিকা নিয়ে থাকলেও ক্যা¤েপইনে তাকে টিকা প্রদান করা হবে এবং উক্ত টিকাটি অতিরিক্ত ডোজ হিসেবে গণ্য হবে। (২ টি ডোজের মধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিন ব্যবধান থাকতে হবে)। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পাবনা জেলায় ২,০৫,৯০৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৬৫%। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে পাবনার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ খায়রুল কবীর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডাঃ রাশিদুল বারী, প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, স¤পাদক জহুরুল ইসলাম সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও মিডিয়া সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পাবনায় হামের প্রাদুর্ভাব দ্রুত নিয়ন্ত্রণে সংবাদ সম্মেনে
RELATED ARTICLES
