সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। এই চুক্তিতে যৌথ প্রতিরক্ষার শর্ত রয়েছে। অর্থাৎ, চুক্তিতে থাকা কোনো দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশগুলো তাকে সহায়তা করবে। এর ফলে হামলার শিকার হলে এই জোটকে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলো ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্ক।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) চুক্তিটি অনুমোদন করা হয়। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের হামলার মুখে সৌদি আরব যখন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে, তখন এ সিদ্ধান্ত এল।গত আগস্টে তুরস্ক প্রথমবারের মতো মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এরপর গত মাসে অনুমোদনের জন্য চুক্তিটি পার্লামেন্টে পাঠানো হয়।

বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, চুক্তি অনুমোদনের প্রস্তাবের প্রথম অনুচ্ছেদ বুধবার তুরস্কের পার্লামেন্টে গৃহীত হয়। তবে এরপর পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার জেলাল আদান অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে আবার অধিবেশন বসে এবং চুক্তিটি অনুমোদিত হয়।এদিকে ইরানের বাকি অংশও যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ধ্বংস’ করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, দেশটি পুনর্গঠন করতে ২৫ বছর সময় লাগবে। তবে তিনি এমন পদক্ষেপ নেবেন কি না, তা ‘শিগগিরই জানা যাবে’ বলেও মন্তব্য করেছেন।এদিকে, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান বলে খবর পাওয়া গেছে। ওয়াশিংটন প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। অন্যদিকে, নিজেদের সাতটি দাবি পূরণের অপেক্ষায় রয়েছে তেহরান।
সুত্র: আল জাজিরা


