লিডস ইউনাইটেডের মাঠে গিয়ে এক ম্যাচে তিন ধরনের অভিজ্ঞতা হলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। শুরুতে ২ গোল দিয়ে লিড নেয়া, এরপর এক মিনিটের ব্যবধানে উল্টো দুই গোল হজম করে সমতায় ফিরে আসা এবং সর্বশেষ ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গিয়ে আবারও দুই গোল দিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়ে যাওয়া- তিন অভিজ্ঞতাই অর্জন হলো রেড ডেভিলদের। শেষ পর্যন্ত ম্যানইউর জয় ৪-২ গোলের ব্যবধানে।লিডস ইউনাইটেডের মাঠ এলান্ড রোডে গিয়ে শুরুটা দারুণ করেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কোচ রালফ রাঙনিক আগের ম্যাচের একাদশে তিনটি পরিবর্তন এনে স্বাগতিক লিডসের বিপক্ষে দল মাঠে নামান। প্রায় দুই মাস পর হেসে লিংগার্ডকে সেরা একাদশে জায়গা দেন রাঙনিক।
তবে ম্যাচে ঠিকই শুরু থেকে লিডসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে ম্যানইউ। ম্যাচের ৩৪তম মিনিটে হ্যারি মাগুইরের গোলে এগিয়ে যায় ম্যানইউ। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে, যোগ করা সময়ে (৪৫+৫) দুর্দান্ত এক হেডে দ্বিতীয় গোল করেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লিডস ইউনাইটেড যেন দুর্নিবার হয়ে ওঠে। মার্সেলো বিয়েলসা নিজের শীষ্যদের কি মন্ত্র দিয়েছেন, যেটার কারণে তুমুল আক্রমণ তৈরি করতে থাকে তারা। যার ফলে ৫৩ এবং ৫৪ মিনিটে, মাত্র ৫৮ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুটি গোলই করে বসে তারা।
৫৩ মিনিটে গোল করেন রদ্রিগো। এরপর ৫৮ সেকেন্ডের ব্যবধানে ড্যানিয়েল জেমসের চমৎকার এক ক্রস থেকে বল পেয়ে দ্বিতীয় গোল করেন রাফিনহা।২-২ গোলে ম্যাচ সমতায়। এরপর দলে পরিবর্তন আনেন ম্যানেইউ কোচ রাঙনিক। ৬৭ মিনিটে পল পগবাকে তুলে নিয়ে তিনি মাঠে নামান ফ্রেডকে। একই সময় হেসে লিংগার্ডকে তুলে মাঠে নামান অ্যান্থোনি এলাঙ্গাকে। শেষ পর্যন্ত এই দুই বদলিই জয়ের মুখ দেখালো ম্যানইউকে।
৭০ মিনিটে রেড ডেভিলদের আবারও লিড এনে দেন বদলি খেলোয়াড় ফ্রেড। ম্যাচ শেষ হওয়ার খানিক আগেম, ৮৮তম মিনিটে দলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করলেন এলাঙ্গা।এই জয়ে চতুর্থ স্থানটি আরও মজবুত করে নিলো ম্যানইউ। ২৬ ম্যাচ শেষে ৪৬ পয়েন্ট রেড ডেভিলদের। চেলসির পয়েন্ট ৫০। তারা রয়েছে তিন নম্বরে। ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লিভারপুল এবং ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
