আগামী ১ অক্টোবর এশিয়ান গেমস পুরুষ ক্রিকেটে পাকিস্তানের সঙ্গে সেমির যুদ্ধ বাংলাদেশের। যে যুদ্ধে জিতলে অন্তত রৌপ্য পদক নিশ্চিত হয়ে যাবে। সেমিতে জেতা মানেই ফাইনাল। আর ফাইনালে যাওয়া মানেই হয় চ্যাম্পিয়ন না হয় রানার্সআপ। যেহেতু গেমস ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন রানার্সআপ বলে কিছু নেই, যে দুই দল ফাইনাল খেলবে সেই দুই দলের বিজয়ী স্বর্ণপদক পাবে, বিজিত দল পাবে রৌপ্য পদক।কাজেই পাকিস্তানের সঙ্গে সেমিতে জিতলেই বাংলাদেশের এবারের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে অন্তত রৌপ্য পদক নিশ্চিত হয়ে যাবে বাংলাদেশের। এখন প্রশ্ন হলো বাংলাদেশ কি পাকিস্তানকে হারাতে পারবে?সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রায় সব ফরম্যাটেই ভালো খেলেছে, জিতেছে এবং নিজেদের শ্রেয়তর দল হিসেবে মেলে ধরেছে। সেদিক থেকে চিন্তা করলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জেতার সম্ভাবনাই বেশি। এর পাশাপাশি আরও একটা কথা বলে রাখা দরকার, বাংলাদেশ এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে তাদের সেরা শক্তি নিয়েই গেছে। কিন্তু পাকিস্তান তাদের মূল দলটাকে পাঠায়নি, কিছুটা কম শক্তির দল পাঠানো হয়েছে। বেশ কয়েকজন নির্ভরযোগ্য বা তারকা খেলোয়াড় এই দলে নেই।

সেদিক থেকে শক্তির পাল্লায় বাংলাদেশ এগিয়ে এবং সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো খেলার এবং সাফল্যের রেকর্ডও বেশি। তাই বাংলাদেশকে ফেবারিট ধরাই যায়। অর্থাৎ খেলা হলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলেই ভাবা যায়। কিন্তু ভাবাচ্ছে, চিন্তিত করে তুলেছে, শঙ্কা জাগাচ্ছে বৃষ্টি। যদি কোয়ার্টার ফাইনালের মতো সেমিফাইনালেও বৃষ্টিতে খেলা না হয় তাহলে কি হবে? তাহলে যেটা হবে সেটা বাংলাদেশের জন্য চিন্তার। বাংলাদেশ যেভাবে মালয়েশিয়ার সঙ্গে র্যাংকিং-রেটিংয়ে এগিয়ে থেকে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে।খেলা না হলে একই অবস্থা হবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচেও। যদি ম্যাচ মাঠে না গড়ায়, তাহলে আইসিসির লেটেস্ট টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে ৬ নম্বরে থাকা পাকিস্তান দল আটে থাকা বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে ফাইনালে চলে যাবে। আইসিসির সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে পাকিস্তান বাংলাদেশের চাইতে দুই ধাপ এগিয়ে।তাই সেমিফাইনালে নাগোয়ায় বৃষ্টির কারণে সেমিফাইনাল না হলে বাংলাদেশের সর্বনাশ হবে, পাকিস্তান ফাইনালে চলে যাবে। বাংলাদেশকে তখন ব্রোঞ্জ নির্ধারণী ম্যাচে ভারত এবং শ্রীলঙ্কার পরাজিত দলের সঙ্গে খেলতে হবে। ব্যাপারটা চিন্তা জাগাচ্ছে বৈকি।


